শিরোনাম
খবর বিজ্ঞপ্তি | ০৪:১৬ পিএম, ২০২২-০৯-০৫
চট্টগ্রামের হালিশহরে কুলসুম বেগম নামের এক গৃহবধু তার প্রতিবেশী ব্যবসায়ী আল আমুনকে চেক মারফতে দশলক্ষ টাকা হাওলাত দেয়। এই হাওয়ালাতের টাকা ফেরতের দাবি ও চাঁদা না দেয়ায় সামছুল আলম নামের অপর এক স্থায়ী বাসিন্দার ভয়ভীতির নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার কারণে সংবাদ সম্মেলন করেছে গৃহিণী কুলসুম বেগম। আজ সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর), সকাল ১১ টায়, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের 'এফ. রহমান হলে 'এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলন মোছাম্মত কুলসুম বেগম বলেন, 'আমি হালিশহর, বড়পুল,সাইটপাড়া ঠান্ড মিয়া বাড়ির বাসিন্দা। প্রতারক আল মামুন আমার প্রতিবেশী হয়,তার ইলেক্ট্রিকের দোকান আছে। প্রতিবেশী হিসেবে আমার সাথে সুসম্পর্কের খাতিরে তার প্রস্থাবে আমি তাকে তার দোকানে ব্যবসায় অংশীদারত্বের জন্য বিশ্বাস করে দশ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করি। কিন্তু পরবর্তীতে সে আমাকে তার দোকানের পার্টনারশীপ হিসেবে নিতে অস্বীকৃতি জানাই।পরে আমি যখন আমার হাওলাতের টাকা ফেরত চাই,সে আমাকে হাওলাতের টাকা আর ফেরত দিচ্ছে না। বরং সে স্থানীয় সামছুল আলমকে দিয়ে আমাকে ভয়ভীতি দেখায়।এই বিষয়ে আমি হাওলাতের টাকা ফেরত চেয়ে প্রতারক আল মামুনের বিরুদ্ধে চেকের মামলা করি। যার মামলা নং ১৩৭৪/২০, যেটি বর্তমানে চতুর্থ চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা আদালতে যুক্তিতর্কের পর্যায়ে আছে। উক্ত মামলায় আল মামুনের শাস্তি হওয়ার সম্ভাবনাও আছে'।
সংবাদ সম্মেলন তিনি আরো বলেন, 'প্রতারক আল আমুন স্থায়ী বাসিন্দা সামছুল আলমের সাথে হাত করে আমার হাওলাতের টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো সামছুল আলমকে দিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করে। সামছুল আলম আমার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে আমাকে মারধরসহ আমার ঘর ভাংচুর করে। এই ব্যাপারে আমি তার বিরুদ্ধে হালিশহর থানায় চাঁদাবাজির মামলা করি। যার মামলা নং ১৯(৬)২২।পুলিশ ঘটনার সত্যটা পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। সে হাজতও খাটে। বর্তমানে মামলাটি তদন্তে আছে'।
'আমি শামছুল আলম ও আল মামুনের ভয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি তাদের প্রতি তিক্ত হয়ে, আসামি আল মামুন ও সামছুল আলমেকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন মাজিস্ট্রেট, ৫ম আদালত চট্টগ্রাম বরাবর এক কোটি টাকার মানহানি মামলা করি। যার সি.আর মামলা নং ৩৩৫/২০২২ ইং'।
'তারা আইনগতভাবে কোর্টে আমার মামলা মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে, গত ২৬-০৬ -২২ ইং তারিখে এলাকায় আমার বিরুদ্ধে মাদক মামলাসহ আমাকে ও আমার পরিবারকে সমাজে হেয় করার জন্য মিথ্যাভাবে মাদক সম্রাজ্ঞী আখ্যা দিয়ে, আমার ফটো ব্যানারে ছাপিয়ে সরকার বিরুধী কিছু সন্ত্রাসী, বস্তি এলাকার ছেলেপেলেকে টাকা দিয়ে অপপ্রচারে নামছে'।
তিনি আরো বলেন, 'প্রিয় সাংবাদিক ভাইরা, 'আমার দুটা ছেলে সন্তান হেফজ খানায় পড়ে, আমার স্বামী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম একজন পরহেজগার মানুষ। তিমি পেশায় একজন গাড়ির ইঞ্জিন মিস্ত্রী। আমাদের নিজ বাড়ি কুমিল্লাতে। প্রতারক মামুন ও সামছুল আলমের ভয়ে আমি ও আমার পরিবার এলাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমরা এই অপরাধীর পেশী শক্তির কাছে নিরহ বিচার প্রার্থী। আপনারা সাংবাদিকরা দেশের সুপ্রিম পাওয়ার রাখেন, এই অসহায় গৃহবধূর সত্য ঘটনাটি গণমাধ্যমে তুলে ধরে প্রচার করুন। আমি প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চাই'।
রিপোর্টার : জোবায়ের হোসেন, চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে বিয়ের প্রলোভনে এক কলেজছাত্রীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ চট্টগ্রাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন চট্ট...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রায় ২৪১ কোটি টাকা আটকে আছে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে। এর মধ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার করিমগঞ্জ (শাম্বীর বাপের বাড়ি) এলাকায় একটি পৈতৃক সম্পত্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ উদ্বোধনের মধ্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited